Skip to main content

জৈন্তাপুর সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্র মসলা জাতীয় ফসলের উন্নত উৎপাদন কলাকৌশল শীর্ষক প্রশিক্ষণ।


শাহজাহান কবির খান, জৈন্তা এক্সপ্রেসঃঃ

কর্মশালায় বক্তারাঃ প্রাচীনকাল থেকেই গ্রাম-বাংলার মানুষ বিভিন্ন মসলা দিয়ে বাহারি খাবার তৈরি করে খাওয়ার অভ্যাস। এসব মসলা অধিকাংশ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। পুষ্টি বিজ্ঞনীদের তথ্যমতে, একজন মানুষের প্রত্যহ খাবারের সাথে ৫৪.২৫ গ্রাম বিভিন্ন প্রকার মসলা প্রয়োজন হয়। এসব মসলা বাড়ির আঙ্গিনায় চাষ করেই পারিবারিক চাহিদা মিটানো যায়। কিন্তু এ মসলার অধিকাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করে চাহিদা মিটাতে হয়

বর্তমানে পেয়াজ উৎপাদনে বাংলাদশ তৃতীয় স্হানে জৈন্তাপুরে মসলা জাতীয় ফসলের আধুনিক উৎপাদন

এসএ,এসএসএ ও এসএএও’র শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তারা বলেছেন গোটা বিশ্বে প্রায় ১শ ৫০ জাতের মসলা উৎপাদিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ৪০ প্রকারের মসলা উৎপাদিত হচ্ছে, তবে আমদের দেশে অধিকতর মসলার ব্যবহার হওয়া বেশির ভাগ মসলাই বিদেশ থেকে আমদানী করতে হয়। আবার আমাদের দেশীয় মসলা বিদেশেও রপ্তানী হচ্ছে। যেমন রপ্তানী পণ্যের মধ্যে জৈন্তাপুরের তেজপাতা অন্যতম। আমরা পেয়াজের জন্য অনেকটা ভারত নির্ভর ছিলাম। বর্তমানে পেয়াজ উৎপাদনে
বাংলাদেশ এখন তৃতীয় স্থানে রয়েছে, যা কিছু দিন পূর্বেও এই স্থান ছিল যুক্তরাষ্ট্রের দখলে। তবে জৈন্তাপুর উপজেলায় সরকারী বরাদ্ধ থাকলে পেয়াজ উৎপাদনে জৈন্তাপুর এগিয়ে যাবে। জৈন্তাপুর সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্রের গবেষণার ফল বারি গোল মরিচ, যা জৈন্তা গোল মরিচ নামে বাংলাদেশের সর্বত্র পরিচিত। এছাড়া তেজপাতা, এলাচ সহ বিভিন্ন রকম মসলা জাতীয় গবেষণায় জৈন্তাপুর সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিকরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
৩ অক্টোবর রোববার সকাল ১০টায় জৈন্তাপুর সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্রের হলরুমে মসলা গবেষণা কেন্দ্র বিএআরআই শিবগঞ্জ বগুড়া এর বাস্তবায়নে ও বাংলাদেশ মসলা জাতীয় ফসলের গবেষণা
জোরদারকরন প্রকল্পের অর্থায়নে দুই দিনব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা
এসব কথা বলেন। জৈন্তাপুর সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এমএইচএম বোরহান উদ্দিন ভূইয়ার সভাপতিত্বে ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ঝুটন চন্দ্র সরকারের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়ার শিবগঞ্জ মসলা গবেষণা কেন্দ্রের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ মাহমুদুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন জৈন্তাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ ফারুক হোসাইন। উপস্থিত ছিলেন বৈজ্ঞানিক
কর্মকর্তা ফয়সল আহমেদ, প্রশিক্ষক বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আতিকুর রহমান ও মোঃ আশরাফুল
আলম। দুই দিনব্যাপি এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জৈন্তাপুর উপজেলার সকল উপ-সহকারী কৃষি
কর্মকর্তা ও কৃষি বিভাগের সংশ্লিষ্টরা অংশগ্রহন করেন।

Comments

Popular posts from this blog

বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ জৈন্তাপুরে

শাহজাহান কবির খানঃঃ বুধবার সকালে জৈন্তাপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজনে কৃষি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ধান বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিপামনি দেবী, সভায় সভাপতিত্বে ছিলেন জৈন্তাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শামীমা আক্তার। বাংলাদেশ কৃষক লীগের সভাপতি জৈন্তাপুর উপজেলা আব্দুল মান্নান। আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষক/কৃষাণী এবং কৃষি অফিসারগন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

পাহাড় টিলা কাটা, নদী ভরাট ও অবাধে বন ধ্বংসের কারণে হুমকির মুখে আমাদের জীববৈচিত্র্য

জৈন্তাপুরে বাপা ও সারী নদী বাচাও আন্দোলনের নাগরিক বন্ধনে বক্তারাঃ শাহজাহান কবির খান জৈন্তাপুর (সিলেট) থেকেঃঃ মানুষের সর্বগ্রাসী লোভ আর সর্বনাশা কর্মকান্ডের কারণে পরিবেশ মারাত্বক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়ে পড়েছে। পরিবেশের মাটি, পানি, বাতাস সবকিছুই আজ দূষিত হয়ে উঠেছে। পাহাড়-টিলা কাটা আর অবাধে বন ধ্বংসের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে জীববৈচিত্র্য। শুধু আইন দিয়ে এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ অসম্ভব । এজন্য সর্বশ্রেণির মানুষের সচেতনতা ও জাগরণ ছাড়া পরিবেশের বিপর্যয় সম্ভব নয়।  বিশ^ পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক ’নাগরিক বন্ধনে বক্তারা একথা বলেন। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপা সিলেট জেলা শাখা ও সারি নদী বাঁচাও আন্দোলন’র যৌথ উদ্যোগে ৪ জুন শুক্রবার বিকেলে জৈন্তাপুরের ঐতিহাসিক বটতলায় এ নাগরিক বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বিশিষ্ঠ মুরব্বি আব্দুস শুকুর এর সভাপতিত্বে ও সারী নদী বাচাও আন্দোলনের সভাপতি আব্দুল হাই আল হাদির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ নাগরিক বন্ধনে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপার কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল করিম কিম। জৈন্তাপুর ইরাদবী'তে   বক্তারা আরো বলেন উন্নয়নের নামে পরিবেশ...

তামাবিল স্থলবন্দরে ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন ভারতের হাই কমিশনার

ভারতের আসাম সহ উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির সাথে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধিতে আমরা নিরলস ভাবে কাজ করছি  -----হাই কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান  জৈন্তাপুর থেকে শাহজাহান কবির খানঃঃ ভারতের নিউ দিল্লী'তে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মো: মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির সাথে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।  বিশেষ করে আসামের গুয়াহাটি মিশন সহ আমাদের সবক'টি মিশন আন্তরিক ভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছে।  বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং সম্পর্ক উন্নয়নে আমরা আন্তরিক। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদশ-ভারত সম্পর্ক অনেক এগিয়ে গেছে।  গত ১৮ মে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টায় সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের কনফারেন্স রুমে স্থানীয় প্রশাসন ও তামাবিল ব্যবসায়ী ও সূধিজনের সাথে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাই কমিশনার এসব কথা বলেন।  অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিলুর রহমান।  মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন গুয়াহাটি'তে নিযুক্ত বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনার রুহুল আমিন, নিউ ...